,BISSHOSONGBAD, Bangla, বিশ্ব সংবাদ, 24 news
আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনামূল্যে বিশ্বকাপ দেখা যাবে ইউটিউবে ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ ওমানে একসঙ্গে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশে বিল পরিশোধে কমছে সুবিধা, বাড়ছে গ্রাহক অসন্তুষ্টি যাদের কুরবানি কবুল হবে না হরমুজে মার্কিন জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বিএনপির ৭২ শতাংশ ও জামায়াতের ৫৬ শতাংশ নারী এমপি কোটিপতি ‘যখন তখন আন্দোলনে নেমে পড়লে তা সফল হয় না’ শিশির মনির ও ফুয়াদকে অতিথি করায় রাবি শিক্ষার্থীদের ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন অর্থনৈতিক মহাসংকটে বিদ্যুৎ জ্বালানি বিভাগ তীব্র জ্বালানি সংকটের প্রভাব আয় কমছে, বাড়ছে ব্যয় অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা মাসুদ, তিনি বললেন, ‘ফালতু কথা মালয়েশিয়ায় আটক করা হচ্ছে ইসরাইলি পাসপোর্টধারীদের সুনামগঞ্জের ১০ জনের ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন সাগরে বিলীন শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে তেল মজুতে দুই ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ৫ ঈদের দিনে একের পর এক দুর্ঘটনা: ট্রেন, লঞ্চ ও বাস দুর্ঘটনায় উদ্বেগ ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ গ্রেফতার

বিধ্বস্ত এফ-৭ তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধবিমান

রিপোর্টারের নাম: MD. S. M. RIAJ
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Jul 21, 2025 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: বিধ্বস্ত এফ-৭ তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধবিমান

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন কলেজের ছাদে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানটি ছিল এফ-৭ বিজেআই। এই যুদ্ধবিমানটি চীনের তৈরি। এটি চীনের চেংদু জে-৭ যুদ্ধবিমানের একটি রপ্তানি সংস্করণ এবং মূলত ইন্টারসেপ্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি সোভিয়েত ইউনিয়নের মিগ-২১ এর লাইসেন্সড বিল্ড ভার্সন। চীন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়ার বিমান বাহিনীতে এটি ব্যবহৃত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এফ-৭ বিজিআইসহ এই সিরিজের যুদ্ধবিমানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যদিও এটি এখন কিছুটা পুরোনো প্রযুক্তির, তবে প্রশিক্ষণ ও সীমিত যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এখনো কার্যকর।

এই এফ-৭ বিমান সর্বশেষ ২০১৩ সালে উৎপাদিত হয়েছে। এ পর্যন্ত এই ভার্সনের ৩৬টি বিমান কিনেছে বাংলাদেশ। চীন ২০১৭ থেকে দুই বছর আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার বাংলাদেশকে অফিশিয়ালি তাদের জে-১০ যুদ্ধবিমানের লেটেস্ট ভার্সন অফার করছে পুরাতন এফ-৭ যুদ্ধবিমানের রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে। বছর দুয়েক আগেই চীন সরকার এই মডেলকে ডিকমিশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মিসর, আলবেনিয়া এই মডেল ব্যবহার ইতিমধ্যে বাদ দিয়েছে। কিন্তু তখন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশে চাইনিজ এই ট্রেনিং বিমানে আগেও পৃথক দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া যে সকল দেশ এ বিমানটি ব্যবহার করছে প্রায় সবাই কমবেশি দুর্ঘটনার শিকার। চীনে এই বিমান বিল্ডিংয়ে ধাক্কা দিয়ে একজন মারা যাওয়ার কিছুদিন পরেই বিমানগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশটি। মূলত কম বাজেটে উন্নত ফ্যাসালিটিজের প্রেক্ষাপটে এ মডেলের যুদ্ধবিমান আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের কাছে এই বিমান হস্তান্তরের পর এই মডেল আর বানায়নি চীন। 

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের প্রয়োজন মেটাতেই এফ-৭-এর ডিজাইন ও উন্নয়ন শুরু হয়। এফ-৭ একটি অল-ওয়েদার ইন্টারসেপ্টর, অর্থাৎ যে কোনো আবহাওয়ায় যুদ্ধ করতে সক্ষম। ডেল্টা আকৃতির পাখা এটিকে দ্রুত উঁচুতে ও শব্দের চেয়ে বেশি গতিতে উড়তে সাহায্য করে। তবে যুদ্ধবিমানটির সীমিত রেঞ্জের কারণে এটি মূলত পয়েন্ট-ডিফেন্স (সীমিত অঞ্চলে প্রতিরক্ষা) মিশনের জন্য বেশি কার্যকর

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..