
১. অন্যের পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা
যদি আপনি অন্য কারো নাম বা ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালান, তা ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতির লঙ্ঘন। সেলিব্রিটি বা পরিচিত ব্যক্তির নামেও অ্যাকাউন্ট খোলা হলে, অভিযোগ আসলে ফেসবুক দ্রুত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়।
২. ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর নাম ব্যবহার
ফেসবুক চায় ব্যবহারকারীরা তাদের আসল নাম ব্যবহার করুক। ভুয়া বা অবাস্তব নাম ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে সাধারণ ডাকনাম বা নামের সংক্ষিপ্ত রূপ গ্রহণযোগ্য।
৩. ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ
ফেসবুকের Community Standards (কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডস) যদি ভঙ্গ করেন, তবে প্রথমে পোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়। বারবার নিয়ম ভাঙলে, অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সহিংসতা, ঘৃণামূলক বক্তব্য বা আত্মহানির বিষয়গুলোর প্রতি ফেসবুক এখন অনেক বেশি সতর্ক।
৪. আপত্তিকর বা আক্রমণাত্মক মন্তব্য
গালাগালি, বিদ্বেষমূলক মন্তব্য বা অন্যকে হেনস্থা করা নিয়মিত হলে, প্রথমে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং পরে একাধিক রিপোর্টের পর অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৫. বয়স ১৩ বছরের কম হওয়া
ফেসবুক ব্যবহারের জন্য বয়স কমপক্ষে ১৩ বছর হতে হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে আপনি ১৩ বছরের কম, তবে কোনো রিভিউ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট ডিজেবল করা হয়। শিশুদের জন্য ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে রয়েছে Messenger Kids।
৬. অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া
অ্যাকাউন্ট যদি হ্যাক হয়ে যায়, তবে অপরিচিত ব্যক্তি আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিয়ম ভাঙতে পারে। এতে আপনার অজান্তে অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে। তবে ফেসবুক হ্যাকড অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য সাহায্য প্রদান করে, তবে দেরি হলে এটি কঠিন হয়ে যায়।
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হওয়া থেকে বাঁচার উপায়
ফেসবুক শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, এটি আমাদের স্মৃতি, যোগাযোগ এবং পরিচয়ের বড় একটি অংশ। তাই অ্যাকাউন্ট ডিজেবল হলে তা অনেক বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে, ফেসবুকের নিয়মগুলো মেনে সচেতনভাবে ব্যবহার করলে এই সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।